সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়ার ভয়াবহতা

টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়ার ভয়াবহতা


টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়ার ভয়াবহতা
আবু যর রা. বলেন, রাসূল-সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বলেছেন, “কিয়ামতের দিন
আল্লাহ তাআলা তিন ব্যক্তির সাথে কথা তো বলবেনই
না বরং তাদের দিকে তাকিয়েও দেখবেন না।
এমনকি তিনি তাদেরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন
না বরং তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তারা কারা?
তবে এরা তো ধ্বংশ, তাদের বাঁচার কোন রাস্তা নাই।
রাসূল-সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম- এ
কথা তিনবার বলেছেন। তারা হলঃ
১) যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পরে।
২) যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম খেয়ে ব্যাবসার পণ্য
বিক্রি করে।
৩) যে ব্যক্তি কারো উপকার করে আবার
খোটা দেয়। (মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ ও ইব্ন
মাজাহ্)। আবু হুরায়রা নবী -সাল্লাল্লাহু
আলাহি ওয়া সাল্লাম- থেকে বর্ণনা করে বলেন, “লুঙ্গির
যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা আগুনে প্রজ্জলিত
হবে।” (বুখারী)
জাবের ইব্ন সুলাইম রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেন,
“টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে কাপড় পড়ার ব্যাপারে সাবধান
হও। কারণ, তা অহংকারের অন্তর্ভূক্ত। আর
আল্লাহ অহংকার করাকে পছন্দ করেন না।” (আবু
দাঊদ। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠের ফজিলত

১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না

  ১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না =========================== ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (কিন্তু আপনি যদি মনে প্রাণে তাওবা করেন, এবং নিজের ভুল সংশোধন করেন, আল্লাহ্‌ তো রাহমানুর রাহিম, উনি কি না করতে পারে। সাবধানতা অবলম্বন করুন।) (১) হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) . (২) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) . (৩) প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬) . (৪) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্...

রমজানে ঋতুস্রাব/মাসিক/পিরিয়ড অবস্থায় করণীয়ঃ

  আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতু্হ্.! _ রমজানে ঋতুস্রাব/মাসিক/পিরিয়ড অবস্থায় করণীয়ঃ ১. প্রথমতঃ বলুন আলহামদুলিল্লাহ। কারণ পিরিয়ড অবস্থায় রোজা না রেখে আল্লাহর হুকুম পালনের জন্য আপনি প্রতি মুহূর্তে সওয়াব/নেকি পাচ্ছেন। ২. 'বিসমিল্লাহ' দিয়ে সবকিছু শুরু করুন। ৩. আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস্থ করুন। ৪.পবিত্র কোরআন পড়তে না পারার জন্য মন খারাপ করার কোন কারণ নাই। আপনি সূরা ইখলাস পড়তে পারেন। এটি সম্পূর্ণ কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ। তাই পরপর ৩ বার পাঠ করুন। এভাবে ২১বার পর্যন্ত অথবা তারও বেশি বার পাঠ করতে পারলে মাশাল্লাহ। ৫. প্রচুর যিকির করুন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) - এর উপর প্রচুর দুরূদ প্রেরণ করুন। ৬. বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন (আস্তাগফিরুল্লাহ!) ৭.ছোট ছোট দোয়া ও অধিক তাৎপর্যপূর্ণ আয়াত সমূহ অর্থসহ মুখস্থ করুন। ৮. সহীহ হাদিস পড়ুন। ৯. কুরআনের তাফসীর বা ওয়াজ শুনুন। ১০. মাতৃভাষায় কুরআনের অনুবাদ পড়ুন। ১১. হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর জীবনী পড়ুন। ১২. উম্মুল মু'মীনিন ও মহিলা সাহাবিয়াদের গল্প বা সাহাবা ই কিরামের গল্প/শিক্ষনীয় কাহিনী পড়ুন। ১৩. স্কুল-কলেজের, চেনা-জানা অথবা ঘরে বা বাইরের...