সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জিজ্ঞাসা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছোট ছোট ৭০টি ফজিলতপূর্ন আমল যা আমাদের প্রতিদিনের জন্য প্রয়োজন

  আমল: ১: প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুণ (আশশ্হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারী কা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘ আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ) । এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৩৪। আমল: ২: প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। সহিহ নাসাই, সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস নং- ৯৭২। আমল: ৩: প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘ আলা কুল্লি শাই ’ ইন কাদীর) পাঠ করুণ এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮। সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। সহিহ মুসলিম, মিশকাত হাদিস নং- ১৮০৩) । আমল: ৪: প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। সহিহ নাসাই, সহিহ তারগিব, হাকিম ...

টয়লেটে প্রবেশ করার দোয়া এবং টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া

  টয়লেটে প্রবেশ করার দোয়া: بِسْمِ اللهِ اَللهُمَّ إِنّيْ أَعًوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَ الْخَبَائِثِ উচ্চারণঃ ‘ বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ। ’ অর্থ: ‘ হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুষ্ট পুরুষ জ্বিন ও দুষ্ট নারী জ্বিনের অনিষ্ট থেকে। ’ (বোখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসায়ী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) । বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা: টয়লেটে যাওয়ার দ্বিতীয় সুন্নত হলো, বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা এবং টয়লেটের ভেতরে প্রবেশ করার পূর্বে উল্লেখিত দোয়া পড়া।   টয়লেট থেকে বের হওয়ার দোয়া ইসতিনজা সেরে টয়লেট থেকে বের হওয়ার সময় নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি আদব এবং একটি দোয়া শিক্ষা দিয়েছন। আদবটি হলো টয়লেট থেকে ডান পা দিয়ে বের হওয়া এবং বেরিয়ে আসার পর এই দোয়া পড়া, غُفْرَانَكَ الْحَمْدُ لِلهِ الَّذِيْ اَذْهَبَ عَنِّيْ الْاَذَى وَعَافَانِيْ. উচ্চারণঃ   “ গুফরানাকাল হামদুলিল্লাহিল্লাজি আযহাবা আন্নিল আযা ওয়াফানি ” অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য, যিনি আমার থে...

নফস কি নফস কতপ্রকার এবং রূহের সাথে নফসের পার্থক্য এবং নফসের আত্মসুদ্ধির উপায় সমুহ এবং কিছু পরামর্শ

নফস কি নফস কতপ্রকার এবং রূহের সাথে নফসের পার্থক্য এবং নফসের আত্মসুদ্ধির উপায় সমুহঃ

মাহারাম এবং গায়রে মাহারাম কারা ?

মাহারামঃ  যে সকল পুরুষের সামনে নারীর দেখা দেওয়া, কথা বলা  জায়েজ এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন সম্পূর্ণ  হারাম তাদের কে শরীয়তের পরিভাষায় মাহরাম বলে। গায়রে মাহারামঃ  যে সকল পুরুষের সামনে যাওয়া নারীর জন্য শরীয়তে জায়েজ নয় এবং যাদের সাথে বিবাহ বন্ধন বৈধ তাদের কে গায়রে মাহরাম বলে। সূরা আন নূরের ৩১ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নারীর মাহরাম নির্ধারিত করে দিয়েছেন । সূরা আন নূরের পূর্ণ আয়াতঃ "আর মুমিন নারীদেরকে বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে। আর যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য তারা প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের ওড়না দিয়ে বক্ষদেশকে আবৃত করে রাখে। আর তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, নিজদের ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাই-এর ছেলে, বোনের ছেলে, আপন নারীগণ, তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে, অধীনস্থ যৌনকামনামুক্ত পুরুষ অথবা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া কারো কাছে নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। আর তারা যেন নিজেদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশ করার জন্য সজোরে পদচারণা না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নি...

আগুনের জিব্বা

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন.... যে ব্যাক্তি দুনিয়ায় দ্বিমুখী হবে, কিয়ামতের দিন তার মুখে আগুনের জিব্বা হবে!!! মৃত্যুর পর সেই সব লোকদের জিব্বা আগুনের কাঁচি দিয়ে কাটা হবল,যারা অন্যকে উপদেশ দিয়ে সে কাজ নিজে করে না। আল্লাহ্ আমাদেরকে হেফাজত করুন।

ব্যভিচার

জায়িদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত

রাসুল (সাঃ) ১০টি বিষয়ে উপদেশ ।

হযরত মুয়াজ (রাঃ) হতে বর্ণিত  তিনি বলেনঃ .১. যদি কখনো তোমাকে হত্যা কিংবা পুড়িয়ে ফেলাও হয় ,তবুও তুমি আল্লাহ্‌র  সাথে কাউকে শরীক করবে না। ২. তোমার পিতামাতা ,পরিবার- পরিজন ধনসম্পদ হতে তাড়িয়ে দিলেও তাদের অবাধ্য হবে না। ৩. ইচ্ছাকৃতভাবে কখনোই ফরয নামাজ ত্যাগ করবেনা । সেচ্ছায় ত্যাগ করলে তার ব্যাপারে আল্লাহ ও তার রাসূলের কোন দায়িত্ত থাকবেনা। ৪. কিছুতেই শরাব (হারাম পানীয়) পান করবেনা। যা সমস্ত অশ্লীল কাজের মুল। ৫. সব রকমের পাপকার্য হতে নিজেকে দূরে রাখবে। তা না হলে আল্লাহর গজব অবতীর্ণ হবে। ৬. চরম কঠিন মুহুর্তেও জিহাদের ময়দান পরিত্যাগ করবেনা। ৭. যেখানে তোমার অবস্থান, সেখানে মহামারী দেখা দিলেও সেখানেই অবস্থান করবে। ৮. সাধ্যমত পরিবার পরিজনের প্রয়োজনে অর্থ ব্যায় করবে। ৯. সন্তানদের আদব শেখাতে তাদের উপর শাষনের লাঠি সরাবেনা । ১০. এবং পরিবার-পরিজনকে সর্বদা আল্লাহর ভীতি প্রদর্শন করবে।                                         ...

ইস্তিখারা কি ও এর গুরুত্ব