সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
"হে আল্লাহ! তুমি যাদেরকে হেদায়াত করেছ, আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করো,
তুমি যাদেরকে নিরাপদে রেখেছ, আমকে তাদের দলভুক্ত করো,
তুমি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহন করেছ, আমাকে তাদের দলভুক্ত করো,
তুমি আমাকে যা দিয়েছ তাতে বরকত দাও, 
তুমি যে অমঙ্গল নির্দিষ্ট করেছ তা হতে আমাকে রক্ষা করো,
কারণ তুমিই তো ভাগ্য নির্ধারিত কর, তোমার উপর তো কেউ ভাগ্য নির্ধারণ করার নেই,
তুমি যার অভিভাকত্ব গ্রহন করেছ সে কোনদিন অপমানিত হবেনা
এবং তুমি যার সাথে শত্রুতা কর সে কোনদিন সম্মানিত হতে পারেনা।
হে আমাদের রব ! তুমি বরকতময় ও সুমহান।" [তিরমিযী ১/১১৪, ইবনু মাজাহ ১/১৯৪]

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না

  ১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না =========================== ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (কিন্তু আপনি যদি মনে প্রাণে তাওবা করেন, এবং নিজের ভুল সংশোধন করেন, আল্লাহ্‌ তো রাহমানুর রাহিম, উনি কি না করতে পারে। সাবধানতা অবলম্বন করুন।) (১) হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) . (২) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) . (৩) প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬) . (৪) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্...
সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠের ফজিলত

ইস্তিখারা কি ও এর গুরুত্ব