সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আযান

আজানের কথাগুলো নিম্নরুপঃ
  • আল্লাহু আকবার                         (মনে মনে বলতে হবে আল্লাহু আকবার)
  • আশহাদু আন লা ইলা হা ইল্লাল্লাহ        (মনে মনে বলতে হবে আশহাদু আন লা ইলা হা ইল্লাল্লাহ)
  • আশহাদু আন না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ   (মনে মনে বলতে হবে আশহাদু আন না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ)
  • হাইয়া আলাস সালাহ                     (মনে মনে বলবে লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
  • হাইয়া আলাল ফালাহ                    (মনে মনে বলবে লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
  • আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম
  • আল্লাহু আকবার                         (মনে মনে বলতে হবে আল্লাহু আকবার)
  • লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ                       (মনে মনে বলতে হবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ )
(মুসলিম, মিসকাত-৬৫৭,৬৫৮)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।

  সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর। ১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে। ২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে। ৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে। ৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর। ৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর। ৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর। ৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর। ৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো। ৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি! উঃ রাসূলুল্লাহ ...

১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না

  ১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না =========================== ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (কিন্তু আপনি যদি মনে প্রাণে তাওবা করেন, এবং নিজের ভুল সংশোধন করেন, আল্লাহ্‌ তো রাহমানুর রাহিম, উনি কি না করতে পারে। সাবধানতা অবলম্বন করুন।) (১) হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) . (২) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) . (৩) প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬) . (৪) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্...

ইস্তিখারা কি ও এর গুরুত্ব