সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ধৈর্যশীল আর শোকরকারী উভয়ে জান্নাতি।



হযরত উতবী (রাহঃ) বর্ণনা করেন,

একদা তিনি বসরা শহরের কোন রাস্তা দিয়ে যাচিছলেন, হঠাৎ রাস্তায় এক অপূর্ব সুন্দরী রমণী নজরে পড়লো। সে কুৎসিত ও বীভৎস চেহারার এক বয়োবৃদ্ধ লোকের সাথে হাসি-তামাশা করছে। সুন্দর সুন্দর কথা বলে লোকটির মুখে হাসি ফুটাচ্ছে। আমি মেয়েটির কাছে গিয়ে বললাম, এই লোকটি কে? মেয়েটি উত্তর দিলো, তিনি আমার স্বামী। আমি বললাম, তুমি এত সুন্দরী হওয়া সত্ত্বেও এরূপ কুৎসিত স্বামী নিয়ে কিভাবে ধৈর্য ধারণ করলে? মেয়েটি উত্তর দিলো, আমাকে পেয়ে সে আল্লাহ তায়ালার শোকর আদায় করে, পক্ষান্তরে আমি তাঁকে পেয়ে ধৈর্য ধারণ করি। হাদীসে বলা হয়েছে, ধৈর্যশীল আর শোকরকারী উভয়ে জান্নাতি। এরপরও কি আমি আল্লাহ তায়ালার বণ্টনে সন্তুষ্ট হবো না? মেয়েটির জবাব শুনে আমি নিরুত্তর হয়ে নিজের পথ ধরলাম। {খুলুকুল মুমিন : ৭৩}



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠের ফজিলত

১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না

  ১৭ শ্রেণীর মানুষ মুসলিম হয়েও জান্নাতে যাবে না =========================== ওই ধরনের কিছু গুনাহ নিম্নরূপ— (কিন্তু আপনি যদি মনে প্রাণে তাওবা করেন, এবং নিজের ভুল সংশোধন করেন, আল্লাহ্‌ তো রাহমানুর রাহিম, উনি কি না করতে পারে। সাবধানতা অবলম্বন করুন।) (১) হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে দেহ হারাম খাদ্য দ্বারা লালিত-পালিত হয়েছে, তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০) . (২) আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত জুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ বুখারি : ৫৫২৫) . (৩) প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না : হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অত্যাচার থেকে প্রতিবেশীরা নিরাপদ নয়, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম : ৬৬) . (৪) মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেনির লোক জান্...

রমজানে ঋতুস্রাব/মাসিক/পিরিয়ড অবস্থায় করণীয়ঃ

  আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতু্হ্.! _ রমজানে ঋতুস্রাব/মাসিক/পিরিয়ড অবস্থায় করণীয়ঃ ১. প্রথমতঃ বলুন আলহামদুলিল্লাহ। কারণ পিরিয়ড অবস্থায় রোজা না রেখে আল্লাহর হুকুম পালনের জন্য আপনি প্রতি মুহূর্তে সওয়াব/নেকি পাচ্ছেন। ২. 'বিসমিল্লাহ' দিয়ে সবকিছু শুরু করুন। ৩. আল্লাহর ৯৯টি নাম মুখস্থ করুন। ৪.পবিত্র কোরআন পড়তে না পারার জন্য মন খারাপ করার কোন কারণ নাই। আপনি সূরা ইখলাস পড়তে পারেন। এটি সম্পূর্ণ কোরআনের এক-তৃতীয়াংশ। তাই পরপর ৩ বার পাঠ করুন। এভাবে ২১বার পর্যন্ত অথবা তারও বেশি বার পাঠ করতে পারলে মাশাল্লাহ। ৫. প্রচুর যিকির করুন এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) - এর উপর প্রচুর দুরূদ প্রেরণ করুন। ৬. বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন (আস্তাগফিরুল্লাহ!) ৭.ছোট ছোট দোয়া ও অধিক তাৎপর্যপূর্ণ আয়াত সমূহ অর্থসহ মুখস্থ করুন। ৮. সহীহ হাদিস পড়ুন। ৯. কুরআনের তাফসীর বা ওয়াজ শুনুন। ১০. মাতৃভাষায় কুরআনের অনুবাদ পড়ুন। ১১. হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) এর জীবনী পড়ুন। ১২. উম্মুল মু'মীনিন ও মহিলা সাহাবিয়াদের গল্প বা সাহাবা ই কিরামের গল্প/শিক্ষনীয় কাহিনী পড়ুন। ১৩. স্কুল-কলেজের, চেনা-জানা অথবা ঘরে বা বাইরের...